Inter alia

A. Asan, Apu Raj Bongshi, Farhana Ferdausi, Khandkar Nasir Ahammed, Kuntal Barai, and Sumon Barman, curated by Sharmillie Rahman

May 17 – June 2, 2024, Dwip Gallery and Kala Kendra

Inter alia

Predicating on arts as a practice akin to an extension and reflection of social-cultural-political behaviour of a people, Inter alia brings together six individuals with an express desire to explore the material transformation of their uniquely embodied gazes which pre-emptively peer ‘within’, as each engages in a meditation on the ethics of being, knowing and ‘worlding’. If co-existence is a relational (inter)act of ‘becoming’ together where subjectivity as a ‘phenomena’ relies on the ability to respond and (co)constitute the other, then life-world presents itself as a process of continuous reconfiguring, aka worlding. Just as the external simultaneously coalesces and collides with the internal, so do the differing artistic modes of anticipatory dialogues intertwine and refract in a prismic outburst of diverse materials, media and ideas. The six ‘felt’ strands of personal narratives navigate through two venues of iteration, Dwip Gallery and Kala Kendra, where art-in-action, from within its distinct spatiality and fluid temporality confronts the askance gazes, refusing to be affixed with any singularity of meanings.

Inter alia or ‘among other things’ (a la OED), rests on its affinity for ‘stories without ending’. Where sense and sensibility, perception and cognition, memory and history, come into play to carry a revelatory journey forward in search for one’s own fictions or selves; which could also transpire as the episteme of the ‘self’ continuously being performed through re-envisioning.

The exhibition tangibly offers shreds of contextual life-experiences via aesthetic depiction of each artist’s reflexive relationships with ongoing time and shifting spaces while infusing the subjective into the collective, the past into the present. What moves the compass along their trajectory in life and in art practice could largely be attributed to grief of displacement or detachment from a past recollected with longing coupled with the existential contingency of remaining apace with changing times while striking a moral balance to stay on the right side of history. Having said that– in the age of the global network of commerce which controls matters of life and death; widening chasm between liberal and conservative capitalist democracies; and civil society being synonymous with technologized bodies wilfully succumbing to the hyper-linked info-culture—although this is barely a sum of parts—yet it all trickles down to our local context, which, nonetheless, appears but a fuzzy copy of this grand dis/order. In the aesthetic realm, arguably, albeit efforts towards re-formulating contextually relevant artistic expressions, the route to trans-border visibility laden with ‘non-native’ determinants, remains an unavoidable formative influence. Against this extant backdrop, Inter alia hopes to offer itself as a small window onto our socio-aesthetic landscape that signals the struggles and the triumphs relating to the quest for finding one’s voice amidst those of others.   

The artists represent cross-sections of society of varied persuasions, be it religious faith, gender, ethnicity or heritage– who find themselves at a crossroads where latent emotions, beliefs and  rituals as residues from formative years flow like libidinized undercurrents beneath contemporary complexities of urban life practices. While primordial ties to the soil stirs up Kuntal’s profound agony which translates into an artistic protest against its erosion owing to the demonic co-option by urban development, Apu takes refuge into his amorous bonds with water in life and art and most dexterously brings to life the metaphor of continuity and transformation. Sumon, on the other hand, sculpts his reverence for water by personifying it in his intra-media hybrid forms. Asan’s visceral reaction to a life-disavowing social order balks at the forced conditioning which goes against her very sensitive grain. Then we have Farhana, inscribing her ire in stitches against the patriarchal dispossession of feminine virtues and voices. Lastly, Nasir pulls a mirror before society’s gaze, although the reflection might echo the decrepitude within our souls, then again his female forms replicating that of a seed potentially validates life/art’s regenerative, transformative power.

One may argue, the kaleidoscopic refractions emanating out of the acts of viewing and being viewed, by virtue, resist any attempts at intrusive authorship. Within the intra-active, co-constitutive playing field of the exhibition space/s there are as many versions of stories as there are players. However, ‘sad stories’ are inherently a call for ‘worlding’ a community of care and compassion. One hopes, this unifying theme has shone through the cracks and crevices of our numerous perceptions, to hold out a vision of a better future.

-Sharmillie RahmanWriter, Curator


এ, এছেন

জন্ম ১৯৯৩, মহেশখালী চট্টগ্রাম, ভিজুয়াল আর্টিস্ট, ঢাকা

যথেষ্ট আর অতিরিক্ত এই দুইটি শব্দের মাঝখানে চাপা খেয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বা ঘরের ভেতর একটা  প্লাস্টিকের চেয়ারে বসেই ভাবনা আসতে থাকে মানুষের পশমি নরম-গরম শরীরটা কখন কোন মুহুর্তে থেতলে যেতে পারে, অথবা শক্ত শক্ত হাড়গুলি দাঁড়িয়ে-বসে-শুয়ে থাকা কিংবা গোসল করতে থাকা অবস্থাতেই মুচড়ে গিয়ে- ভেংগে গিয়ে -পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে। এমনি অনিশ্চিত আমাদের ব্যাপার-স্যাপারগুলি।

যথেষ্ট শোনা হলো এ ধরনের স্বর্গীয় দৃশ্যগুলি, এক সময় হোস্টেলের একজন শ্রীলঙ্কান তামিল বন্ধুর মুখে, হ্যাঁ, আরো কত হাজারো মানুষের আর্তনাদ চোখে।  

রূপান্তরের সঙ্গে সৃষ্টি হওয়ার নতুন সব জ্ঞানের চেতনারা মানুষের কোন কাজে ফলাল, অতঃপর বোমা আবিষ্কারটা বাকি হাজারো আবিষ্কারকে অতিক্রম করে মানুষের উপর কার্যকর হয়ে দাঁড়াল প্রখর ভাবে? তাই? নাকি এই ধরনের বেহুদা ভাবনা এই বদ্বীপে ভরদুপুরে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বসে থাকার কারণে আসছে কিনা জানি না আসলে!

হ্যাঁ, মানুষের মস্তিষ্কের উপর তারই নিয়ন্ত্রণ নেই, ফলে  অস্তিত্বের সূক্ষ্ম-সুতায় গাঁথা লক্ষকোটি যাপনের স্মৃতি-বিস্মৃতি আপনাআপনি আসতে বাধ্য।

তেমনি তো ভাবনাগুলো হামাগুড়ি খেতে থাকে, এক এক কণা উড়ে এসে জমা হয়ে বসে থাকার ধূলাগুলিকে যখন ঝাড়তে যাই, ধোঁওয়া আর ঘামের বলে জন্ম নেওয়ার ঘন কফ যখন বুক ফেটে বের হয়ে আসতে চায়।

আরে! এই ধোঁওয়াতো ভাবনা থেকে সরছে না আর, কফ থেকে সূর্য পর্যন্ত চলে যাচ্ছে। উড়ে উড়ে কই কই যে যায়, সূর্যের কাছেও যাবে নিশ্চয়ই।  কালো ধোঁওয়ার যে তেজ, উড়ে গিয়ে হয়ত সূর্যকেও কালো বানিয়ে  ছাড়বে। সূর্য কালো হয়ে গেছে এই খবরটা প্রকাশ হয়ে গেলেই সারা।  খবরটা তখন মাইকে মাইকে সারাদিন বাজাতে থাকলে বীভৎস এক শব্দের তেজস্ক্রিয়ায় পৃথিবীর মানুষদের ফুসফুস থেকে অন্যরকম এক ভাইরাস তার নিজের শরীরে ছড়াতে থাকলে রক্তনালী থেকে কান পর্যন্ত পৌঁছাতেই তারা বধির হয়ে যাবে বা গেল। কেউ কিছু আর শুনতে পাবে না তখন। সবাই যখন একসাথে শুনবে না মানুষ ভাবতে বসবে এটাই তাদের মহার্ঘ্য অর্জন,  এই অর্জনকে তারা সাইলেন্ট ডিসকোতে গিয়ে নেচেনেচে  সিলেব্রেট করবে- উইদ আ সফট ড্রিংক।

কি হাস্যকর! আগেই বলেছি এসব ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আরও অনেক কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করা কষ্ট না একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে হয়তো। মানুষের নিজের সৃষ্টি করা গাফিলতির উপর দাঁড়িয়ে যেমন তারে নিয়ন্ত্রণ করার কথা ভাবছে এখন।

হ্যাঁ, এধরনের ভাবনা খারাপ না আবার।

তাক লাগানো এই সকল চেতনা আমাদের শরীরকে পরিচালনা করে, যার দরুন মানুষের অবস্থা তার পারিপার্শ্বিক ভৌগলিক অবস্থাকেও অতিক্রম করে নানান কান্ডে জড়িয়ে অনেকটা আউট অফ কন্ট্রোলের দিকে চলে যায়। এধরনের  প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ঘটনার প্রবাহগুলি আমার কাজের বিষয়বস্তু হিসেবে ধরা দেয়। সামাজিক ঘটনা-দুর্ঘটনা মিথষ্ক্রিয়ায় আমি যেমন কাজের বিষয়বস্তুকে আবিস্কার করি , তেমনি ভাবে এসব ঘটনায় প্রতিবিম্বিত হয় সামাজিক সম্পর্কগুলোও।

ফারহানা ফেরদৌসী

জন্ম: ১৯৮২, মুন্সিগঞ্জ,  কারুশিল্প বিভাগ, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

যে জীবন ডালিমের

নারীর জীবন অজস্র  ঘাত প্রতিঘাত ও টানাপোড়নের মধ্য দিয়ে পরিবার সমাজ রাষ্ট্র ও বিশ্বের পরিমণ্ডলে আবর্তিত হয়। নারীর অন্য নাম প্রকৃতি। সে প্রকৃতিকে ধারণ করে ও মননে প্রকৃতির বিচিত্র অনুষঙ্গ হয়ে উঠলেও তার অন্তর্নিহিত হৃদয়াবেগের  বক্তব্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজে প্রায়ই অনুপস্থিত। ডালিম প্রকৃতির এক অনবদ্য উপাদান পরিপক্ক ফল হয়ে যে ফুটে ওঠে অজস্রো দানায়, তার রং স্বাদ পরিপক্কতা নারীর অনুভবকে যেন অজস্র স্নায়ুর সমাবেশে গড়ে তোলা স্নায়ুতন্ত্রের অবয়বে উন্মেষ  ঘটায়। ডালিমের রোয়াগুলো যেমন, তেমন নারীর অন্তরের বিচিত্র আবেগ ও সংবেদনা ও মেধা  তার সৃষ্টিশীলতায় প্রত্যেক বিম্বিত হয়। এভাবেই নারী হয়ে ওঠে প্রকৃতি।

খন্দকার নাছির আহাম্মদ

জন্ম ১৯৭৫, কুমিল্লা, ভিসুয়াল আর্টিস্ট, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা


‘সত্য’ই সুধু বলতে পারে ‘আমি আছি’

কারন সারমর্ম নেই আর প্রতিয়মানতা অনুপস্থিত ।

‘সত্য’র মহিমা কোনো দ্বৈততা মেনে নেয় না,

সেই মহিমায় নেই কোন ‘আমি’,’আমরা’অথবা ‘তুমি’।

কোন আয়নার সামনে দাড়াও,

তাকিয়ে দেখ আয়নার অপর মানুষটিকে ।

আবার ও দেখ সেই প্রতিচ্ছবি কী,

সে কী তুমি “নাকি তুমি নও,তবে কি?

যেহেতু আমি আমারই আমিতে বদ্ধ

আমি জানি না আমার এই ছায়া আমার কে?

সত্যের অন্যকোনো অস্তিত্ব নেই ‘সত্য’ ছাড়া

‘তিনিই সত্য’ অথবা ‘আমিই সত্য’,–যা ইচ্ছে বলো।

কল্পনার প্রতিয়মানতা থেকে পৃথক কর সত্য সত্তা

নিজেকে আনাহুত না ভেবে প্রেমিক ভাবো।

হারানো জীবনের খোঁজে

প্রতিদিন আমাদের জীবন যাপনে হারাচ্ছে অনেক অনুষঙ্গ আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন কিছু। হারিয়ে যাচ্ছে নদী, বন, ফসলের মাঠ, বনের পশু পাখি সহ আমাদের আটপৌরে সহজ জীবনে যুক্ত হচ্ছে রাস্তাঘাট, ইমারত, পরশ্রম নির্ভর জীবন। আজ আমরা নাগরিক… যা হারিয়ে যাচ্ছে তা যেমন প্রশ্নহীন, তেমনি নাগরিক জীবনের হাতছানি আমাদেরকে করছে আরো নিঃস্ব ও শেকড়হীন।

কাজের প্রেক্ষিত: কাগজ ভাজ করে নকশা কাটা আবহমান বাংলার একটি অতি পরিচিত শিল্প, গ্রামীণ যেকোনো উৎসব-পার্বণ তাছাড়া সম্ভব হতো না। গ্রামীণ অন্যান্য শিল্পের চেয়ে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পূর্ণ নান্দনিক বোধ থেকে, এতে অত্যান্ত সুনিপুণ ভাবে গ্রামীণ জীবনের সহজ আবহ ধরা যায়। আমি খুব ছোটবেলায় এই শিল্প মাধ্যমটির প্রতি আকৃষ্ট হই, আমার অনুপ্রেরণা ছিল আমার ছোট কাকা আর নানা, বিশেষ করে এই শিল্পে নানা অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। তাহার কাছে আমি ফুল লতাপাতার বাইরে ও পশুপাখী ও মানুষের আবয়ভ ইত্যাদি নানান মোটিফ ফুটিয়ে তুলায় দক্ষ হয়ে ওঠি। বাড়ির নানান ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও আশেপাশের বিয়ে,খাৎনা ,হালখাতা, উল্লাস, নৌকা বাইচ, এরকম নানান উৎসবের সাজসজ্জার দায়িত্ব কাকা সাদরে গ্রহণ করতেন আর তার সাথে যুক্ত হতাম আমরাও, সবাই সহজ কিছু মোটিফ তুলত, আমি চেস্টা করতাম নতুন কিছু করার, নানা দেখিয়ে দিতেন, ফুল পাখি হাতি ঘোড়া ময়ূর পেঁচা কত অবলীলায় তার কেচির পর্শে মূর্তি মান হত। প্রায় চার দশক আগের স্মৃতি এখনো আমাকে আন্দোলিত করে সময়ের পরিক্রমায় আজ আমি নাগরিক শিল্পী, সমসাময়িক শিল্প অন্বেষায় আমিও দিশাহীন, মনের সুপ্ত গহীনে আজও লালন করি গ্রাম্য সহজ সরল নন্দন বোধটুকু।


সমস্ত সৃষ্টি ও ধ্বংসের ইতিহাস লিখা বীজের ভিতর। এ জীবন এক বীজ ক্ষেত্র, ভাঁজ খুলে সে রহস্য পড়া যায় না। মহাবিশ্বের মত সে রহস্য অসীম। এ বিশ্বের শূন্য গর্ভে সে আপনা থেকে অঙ্কুরিত হয়, উম্মোচিত করে মহা জীবনেরে। বীজের ত্রীরূপ দৃশ্য অদৃশ্য শূন্যতা- ত্রিকালে ত্রিভুবন খেলা তার।

এই মহাবিশ্ব ই মুলত একটা বীজ। বীজের ভিতর বীজের জন্ম লয় প্রলয়। শূন্যতার সঙ্গে শূন্যতার মিলনে উদ্ভাসিত মহাশূন্য। বীজের ভিতর অনন্তকালের মহাপরিক্রমা। অস্থিত্ব অনাস্তিত্ব, দৃশ্য অদৃশ্য লয় প্রলয়ের‌ খেলা।

কুন্তল বাড়ৈ

জন্ম ১৯৮৭, বরিশাল, ভিসুয়াল আর্টিস্ট, ঢাকা

গত ১১ বছর ধরে ঢাকা শহর ও ট্রাফিক নিয়ে কাজ করছি। এটি কাজের একটি সিরিজ। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী শহর। ব্যস্ত মহানগরীর নিজস্ব একটি ‘জীবন’ রয়েছে এবং এর অপরিকল্পিত বৃদ্ধি তার অতীত গৌরব এবং এর ভবিষ্যত সম্পর্কে যে কোনো আদর্শ ফ্রেমকে অস্বীকার করার হুমকি দেয়। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা অনুসারে, ৮৫ লক্ষ মানুষের বাস এই মহানগর অতিরিক্ত জনসংখ্যা, যানজট এবং একটি উন্মাদ উন্নয়নের স্রোতের সমস্যাগুলির মধ্যে এখন স্মার্ট হচ্ছে যা সব ক্ষেত্রেই অতুলনীয়। যদি এই শহরটিকে এর সংখ্যাগরিষ্ঠ বাসিন্দাদের জন্য কয়েকটির আশ্রয়স্থল বলে মনে হয় তবে প্রতিদিনের ভিত্তিতে মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকা একটি চ্যালেঞ্জ।

আমার প্রকল্পটি উপরের এবং আরও অনেক কিছুর একটি সমীক্ষা। শিল্পী হিসাবে, আমার কাজটি বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি ক্ষতির অনুভূতিকে বিবেচনা করে কারণ শহরটি জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে কমিয়ে দেয়। এখনও এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে জীবনের একটি জৈব রূপ রয়েছে, যার মধ্য দিয়ে একদিন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেখা দিতে পারে।

সুতরাং আমার কাজটি জীবিত অভিজ্ঞতার নিছক চিত্র নয়, বা এটি কেবল একটি ব্যাখ্যা নয় যেখানে ‘বাস্তব’ আনুষ্ঠানিক নান্দনিক গুণাবলীতে দ্রবীভূত হয়েছে। এটি আসলে উভয়ের মিশ্রণ।